ঝালকাঠি-২ আসন: স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজ্জাক সেলিম যে প্রতিশ্রুতি দিলেন
আপডেট সময় :
২০২৬-০১-৩১ ১৪:৩৭:০৬
ঝালকাঠি-২ আসন: স্বতন্ত্র প্রার্থী রাজ্জাক সেলিম যে প্রতিশ্রুতি দিলেন
স্টাফ রিপোর্টার:
ঝালকাঠি-২ (ঝালকাঠি ও নলছিটি) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ রাজ্জাক আলী (রাজ্জাক সেলিম)
ভোটারদের উদ্দেশে নিজের দীর্ঘদিনের সমাজসেবামূলক কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেছেন।নিরপেক্ষ ভোট হলে তিনি বিজয়ী হবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।
রাজ্জাক সেলিম বলেন, রাজনীতি তার কাছে ক্ষমতার হাতিয়ার নয়—মানুষের হক আদায়ের মাধ্যম।
প্তিনি জানান ১৯৯৮ সাল থেকে গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ঘর নির্মাণে টিন বিতরণ, দুধের গরু প্রদান করেছেন।
শিক্ষার্থীদের বই সহায়তা, বিনামূল্যে চিকিৎসা ও ওষুধ সরবরাহসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছেন।
স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান অগ্রাধিকার
তার ভাষ্য অনুযায়ী, অসুস্থ ও অসহায় মানুষদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসার পাশাপাশি ঢাকায় উন্নত চিকিৎসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।এ পর্যন্ত পাঁচ হাজারের বেশি রোগী এই সহায়তার আওতায় এসেছেন, যা এখনো চলমান।
ঝালকাঠি উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে গড়ে ১০০–১৫০ পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য টিন দিয়েছি।৪৭৩টি গরিব পরিবারকে দুধের গরু দিয়েছি, যাতে তারা নিজেরা আয় করে সংসার চালাতে পারে।৫৪ জন দুস্থ মুক্তিযোদ্ধার পরিবারকে আলাদা করে গরু দিয়েছি।
জীবিকার সুযোগ তৈরি করতে ৪৭৩টি রিকশা বিতরণ করেছি, যাতে অনেক পরিবার নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে।
যখন সরকারি বিনামূল্যে বই দেওয়ার ব্যবস্থা শুরু হয়নি, তখন থেকেই আমি নিজ উদ্যোগে প্রায় প্রতিটি হাই স্কুলে বিনামূল্যে বই সরবরাহ করেছি।এছাড়া তিনি গরিব শিক্ষার্থীদের স্টাইপেন্ড, স্কুলে মেয়েদের আলাদা বাথরুম ও বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা।
মসজিদ-মাদরাসা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অনুদান এবং ক্রীড়া সামগ্রী বিতরণের কথাও উল্লেখ করেন।
ঝালকাঠি উপজেলা চেয়ারম্যান পদে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচিত হয়ে সরকারি সুবিধাবঞ্চিত প্রায় এক হাজার পরিবারকে মাসিক ভাতা।শত শত রিকশা-ভ্যান বিতরণ এবং নিজ অর্থে দুই শতাধিক ডিপ টিউবওয়েল স্থাপনের কথা জানান তিনি।
তাছাড়া প্রতি বছর রমজান ও কোরবানিতে চাল, ডাল, আলু, ছোলা, চিনি, খেজুর ও মাংস বিতরন করেছেন।খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলেও দাবি করেন রাজ্জাক সেলিম।
নলছিটির বাস্তবতা ও পরিবর্তনের অঙ্গীকার :
অন্যদিকে তিনি বলেন, নলছিটি এখনো দারিদ্র্য, কর্মসংস্থানের ঘাটতি, দুর্বল স্বাস্থ্যসেবা ও বিশুদ্ধ পানির সংকটে ভুগছে।
এসব সমস্যার সমাধানে ভোটের প্রতিশ্রুতি নয়—বাস্তব কাজের মাধ্যমে পরিবর্তন আনতে চান তিনি।
তিনি বলেন, নলছিটির জন্য একটি সৎ, বাস্তব ও জনকল্যানমুখী কাজ করবো। জনাব রাজ্জাক সেলিম বলেন,
দুঃখজনক হলেও সত্য যে তখনকার ক্ষমতাবানদের প্রতিহিংসার কারণে আমার জন্য নলছিটি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ এরিয়া ঘোষণা করা হয় এবং ২০২৫ সালের জুলাই মাস পর্যন্ত তা বলবৎ থাকে বলে নলছিটিবাসির কাছে যেতে পারিনি।
এখন সময় এসেছে-
আল্লাহ যদি আমাকে ঝালকাঠি- নলছিটিবাসীর সেবক হিসেবে কবুল করেন তবে পিছিয়ে পড়া এই হতদরিদ্র নলছিটিবাসীর জন্য নিজ অর্থে গরিবের ভাতা, শিক্ষা সহায়তা, চিকিৎসা, গৃহ নির্মাণ, সুপেয় পানি, খাদ্য সামগ্রী, পরিধেয় বস্ত্র এবং বেকার সল্পশিক্ষিতদের বিনাসুদে লোন দিয়ে আত্মনির্ভরশীল করবো।
বিগত দিনগুলোতো ঝালকাঠি উপজেলায় যতটুকু সহায়তা করেছি তা পুরো পুরি নলছিটি উপজেলায় সম্পন্ন করে দুই উপজেলার সমতা আনবো।
বাংলাদেশের গরীব দশটি উপজেলার মধ্যে নলছিটি একটি এ অবস্থায় পরিবর্তন করে একটি সমৃদ্ধিশালী উপজেলা গড়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করবো ইনশাআল্লাহ।
আল্লাহর রহমতে আমি সেবক হতে পারলে- দুর্নীতি, জুলুম ,অত্যাচার ভোগান্তি ইত্যাদি নির্মূল করতে কঠোর ভূমিকা রাখবো এবং আস্তে আস্তে নির্মূল করবো ইনশাআল্লাহ!
আমি নলছিটি শহরে ছোট্ট একটি বাড়ি/ বাসা নির্মাণ বা ভাড়া করে নলছিটিবাসীর সুখ- দুঃখের সাথী হবো- যেমনটা এখন ঝালকাঠির আছি।
আমি কখনোই কোন হারাম কাজ, বেআইনি কাজ বা জনস্বার্থ বিরোধী কাজ করবো না এবং করতেও সহায়তা করবো না- আমি সরকারী কোন সাহায্য অনুদান, সন্মানী, ভাতা ইত্যাদি আমার নিজের জন্য বা পরিবারের জন্য ব্যব্যবহার করবো না- তা সম্পূর্ণ জনকল্যাণকর কাজে ব্যায় করবো, আর আমার জন্য আমার আল্লাহই যথেষ্ট।
ঝালকাঠি- নলছিটিবাসী আমার ভাই, বন্ধু আমার সাথী- ধর্মমত নির্বিশেষে আমার আপনজন- তাদের সুখে নয় দুঃখে সাথী হতে পারলে আমি ধন্য হবো,মানব জন্ম স্বার্থক হবে-আমার হক আদায় হবে।
আমার অতীত চরিত্রে যদি এতটুকু সন্দেহ হয়, প্রবঞ্চনা মনে হয় তবে ঝালকাঠি উপজেলার রাজনৈতিক কর্মীনয় সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করুন- আপনারা সততা পাবেন।
জনগনকে ধোঁকা দেয়া, শোষণ করা, তাদের হক নষ্ট করে নিজের উদরপূর্ণ করা,সকল কাজে কমিশন চাওয়া নয়। অর্থের বিনিময়ে সেবা নয়, গাড়ি, মটর সাইকেলের মহড়া দিয়ে নিজের বিশালত্বকে জাহির নয়- নিঃস্বার্থ সেবা আর ভালোবাসা দিয়ে দৃষ্টান্ত স্থাপন করাই আমার লক্ষ্য।
সততা, ন্যায়বিচার, জবাবদিহিতা, স্বচ্ছতা ,উদারতা আর জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই আমার প্রতিশ্রুতি- আমার শপথ!
স্রষ্টা আমাদের লোভী, ভন্ড আর পথভ্রষ্ট নেতাদের চিহ্নিত করার প্রজ্ঞা দিয়ে সুনাগরিক হবার তৌফিক দিন ।
তার ঘোষিত অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে রয়েছে—বিনামূল্যে চিকিৎসা ও নিয়মিত মেডিকেল ক্যাম্প, গরিব শিক্ষার্থীদের সহায়তা, ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফেরানো এবং বেকার যুবকদের বিনাসুদে ব্যবসায়িক পুঁজি প্রদান।
তিনি বলেন,সরকারি টাকায় এক কাপ চা পর্যন্ত খাইনি। বরং নিজের টাকায় শত শত মানুষকে উপজেলা চত্বরে খাবার পরিবেশন করেছি এবং তাদের দুঃখ–দুর্দশার সাথী হয়েছি।
কোনো দুর্নীতি, জুলুম, হয়রানি বা কমিশনবাজির আশ্রয় নেইনি।একজন মানুষের নামেও মিথ্যা মামলা বা অভিযোগ দেইনি।
শত শত মামলা সালিশে নিষ্পত্তি করে বিচারক সাহেবদের প্রশংসা পেয়েছি।
শিক্ষক, নৈশপ্রহরীসহ সকল সরকারি নিয়োগে দুর্নীতিমুক্ত থাকায় ক্ষমতাবানদের রোষানলে পড়লেও সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধা পেয়েছি।
আমি দল–মত, ধর্ম–বর্ণ নির্বিশেষে গরিব মানুষের আশ্রয়স্থল ছিলাম—আজও আছি, ইনশাআল্লাহ ভবিষ্যতেও থাকবো।
ভোটারদের কাছে আবেদন :
তিনি বলেন, আল্লাহ যদি তাকে ঝালকাঠি ও নলছিটির সেবক হিসেবে কবুল করেন, তাহলে একটি সৎ, বাস্তবস
নিউজটি আপডেট করেছেন :
[email protected]
কমেন্ট বক্স